বিজ্ঞান সাধনার ধারাকে প্রচার করতে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণিত ও বিজ্ঞান মনস্কতা তৈরি করতে নকশালবাড়ি সারদা বিদ্যামন্দিরে আয়োজিত হল গণিত ও বিজ্ঞান মেলা। এদিন সারদা বিদ্যামন্দিরের এই মেলায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী আনন্দময় বর্মন,ইসরোর বিজ্ঞানী শর্মিষ্ঠা ভট্টাচার্য পান্ডে।
এদিন বিদ্যালয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পর পড়ুয়ারা গণিত ও বিজ্ঞানের একাধিক মডেল প্রস্তুত করে প্রদর্শনী করে। এই গণিত ও বিজ্ঞান মেলা বিচারক হিসেবে অন্যান্য বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। পড়ুয়াদের তৈরি মডেল বিবেচনা করে পড়ুয়াদের পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।
এই মেলায় মোট ৪৭২ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন এবং মডেল রয়েছে ২২৬টি। অন্যান বিষয়ে আরো ২৪৬টি মডেল রয়েছে। গনিত ও বিজ্ঞানের প্রয়োগাত্মিক দিক নানান মডেল মধ্যে দিয়ে তুলে ধরা হয়েছে।
এতে বিদ্যালয় পড়ুয়াদের গণিত ও বিজ্ঞানের প্রতি আরো আকর্ষন বাড়বে এবং আগামীদিনে বিজ্ঞান মাধ্যমে মানবকল্যাণে অনেক কাজ করার পাশাপাশি আগামী দিনে মহাকাশ গবেষণায় নিয়োজিত হবে বলে আশাবাদী বিদ্যামন্দিরের প্রধান আচার্য্য সুজিত দাসের।
সঙ্গে সেপ্টেম্বর মাসে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অনুষ্ঠান রয়েছে যাতে রাজ্যপাল পরিদর্শন করবেন। সারদা বিদ্যামন্দিরে নাম রয়েছে। মেধার বিকাশ করতে এই ধরনের কর্মসূচি হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা যেভাবে মডেল তৈরি করছে যা ভবিষ্যতে এগিয়ে যেতে কাজে আসবে।
বইয়ের বোঝা না করে এই মেলায় অন্যান সরকারি স্কুলেও করা যায় তা অবশ্যই করা হবে। এই মেলায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়বে। ভারতের নিজস্ব স্পেস স্টেশনে আমরা আশাবাদী, ২০৪০ এর মধ্যে ভারতের নিজের স্টেশন হবে। পৃথিবীতে যারা আছি একাধিক সমস্যা আসছে সেই ক্ষেত্রে এই স্টেশন গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে সমস্যার সমাধানে ভরসা পারব মত ইসরো বিজ্ঞানী শর্মিষ্ঠা ঘোষ পান্ডের।
