এদিন আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়, বাঁকুড়া বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্ব বাংলা বিশ্ববিদ্যালয়, কোচবিহার পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়, দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়, দার্জিলিং হিল বিশ্ববিদ্যালয়, ডায়মন্ডহারবার ওমেন ইউনিভার্সিটি, গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়, হরিচাঁদ গুরুচাঁদ বিশ্ববিদ্যালয়, হিন্দি বিশ্ববিদ্যালয়, কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয়,
মহত্মা গান্ধী বিশ্ববিদ্যালয়, মুর্শিদাবাদ মহারাজা কৃষ্ণনাথ বিশ্ববিদ্যালয়, রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, রানি রাসমণি গ্রিন বিশ্ববিদ্যালয়, সাধু রামচন্দ্র মূর্মূ বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়, সিধু কানু ও বীরসা বিশ্ববিদ্যালয়, নেতাজি সুভাষ ওপেন ইউনিভার্সিটি এদিন উপস্থিত ছিলেন। তবে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বৈঠক হলেও বিশ্ববিদ্যালয় উপস্থিত ছিলনা।
বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ে কি অবস্থায় রয়েছে? কি সমস্যা রয়েছে? কিভাবে পরিচালনা করছে বিশ্ববিদ্যালয়? সঙ্গে পরিকাঠামো উন্নয়ন, একাধিক শূন্যপদ যেমন রেজিস্ট্রার, অর্থ আধিকারিক, অধ্যাপক নিয়োগ সহ একাধিক সমস্যা তুলে ধরেন উপাচার্যরা। অন্যদিকে প্রত্যেক বছর সমাবর্তন অনুষ্ঠান পালন,
বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজস্ব আয় বাড়ানো, স্কিল ডেভেলপমেন্ট, সার্টিফিকেট কোর্স নিয়ে রাজ্যপাল বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যদের পরামর্শ দেন। প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিদর্শন করে নিজেই সমস্যা সমাধানের কাজ করার আশ্বাস দেন রাজ্যপাল। তবে এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি রাজ্যপাল।
