ফলে প্রকল্পের ব্যয়, কাজের ধরন এবং নির্ধারিত সময়সীমা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের কাছে কোনো তথ্য নেই। স্বচ্ছতার অভাব নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের দাবি, চলমান জলের উপর ঢালাই করায় সিমেন্টের মশলা ধুয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে কাজের গুণগত মান ও সেতুর স্থায়িত্ব নিয়ে বড় ধরনের সংশয় তৈরি হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, নিয়ম মেনে কাজ না হওয়ায় সরকারি অর্থের অপচয়ের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বাদল সরকার এবং বিরোধী দলনেতা শক্তিজয় বারুই। তাঁদের অভিযোগ, সংস্কার কাজ চলাকালীন ঘটনাস্থলে কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলীর উপস্থিতি ছিল না, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাঁরা দাবি করেছেন, সংশ্লিষ্ট দফতর অবিলম্বে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।
এলাকাবাসীর আশঙ্কা, দুর্বল ঘোষিত সেতুর সংস্কারে যদি নিম্নমানের কাজ হয়, তবে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যাবে। তাই অবিলম্বে এই কাজের নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৌশলীদের তত্ত্বাবধানে মানসম্মত সংস্কার এবং সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরের প্রতিক্রিয়া এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জোরদার হচ্ছে।
