যদিও নিজের ভুল স্বীকার করেন অভিযুক্ত। না জেনে এই গাছ কেটেছেন বলে সাফাই দেন অভিযুক্ত । অন্যদিকে গাছ কাটা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, আগেও রাস্তার পাশে ২টি গাছ অবৈধভাবে কাটার প্রতিবাদ করা হলেও অভিযুক্ত নতুন করে এই গাছ কেটেছেন। সরকারি জায়গায় এই গাছ কাটার অনুমতি কেন দিল প্রশ্ন স্থানীয়দের।
বিনা অনুমতিতে এই গাছ কাটা নিয়ে পুলিশ ও বনদফতরকে জানানো হয়েছে মত রানিগঞ্জ পানিশালী গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সান্ত্বনা সিংহের। অন্যদিকে অনুমতি নেওয়ার হয়েছে কিনা তার তদন্ত দরকার। গাছ লাগানোর থেকে গাছ কাটা বেশি হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন পরিবেশের ভারসাম্যে ক্ষতি হবে তেমনি পশুপাখিদের অসুবিধা হবে। নিজের স্বার্থে এভাবে গাছ কাটা নিয়ে উদ্বিগ্ন তিনি।
