ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় ছয়টি জাল জন্মের শংসাপত্র। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের পর গোয়েন্দারা আরো তিনজনের হদিশ পান। তাদেরকে মাটিগাড়া এবং গজলডোবার মিলনপল্লী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত তিনজনের কাছ থেকে চারটি জাল জন্মের শংসাপত্র উদ্ধার হয়।
এছাড়াও ধৃতদের মোবাইলে প্রচুর জাল জন্ম এবং মৃত্যুর PDF ফাইল পাওয়া গিয়েছে। প্রসঙ্গত ২৯ অক্টোবর লালন কুমার ওঝাকে গ্রেপ্তার করে সেনাবাহিনী এবং গোয়েন্দা বিভাগ। তাকে গ্রেপ্তার করেই পুলিশ এই বাকি পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতদের আজ শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে তোলা হয়।
