দশরথ মন্ডলের ছেলে সুভাষ মন্ডল নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি খোঁজখবর করতে গিয়ে বাবার সম্পত্তি অন্যের নামে হতেই আরটিআই করে জানতে পারেন ২ মহিলা রানীগঞ্জ পানিশালি গ্রাম পঞ্চায়েতের এক জনপ্রতিনিধির সুপারিশে উত্তরাধিকার সার্টিফিকেট পায়। পরে গোটা ঘটনায় ভুয়ো উত্তরাধিকার সার্টিফিকেট করা নিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতে লিখিত অভিযোগ দেন সুভাষ মন্ডল। সুভাষের অভিযোগ জামাতুল্লা ও অপরজন পশ্চিম বদরাজতের বাসিন্দা রেখা মন্ডল ও মায়া মন্ডল দশরথ মন্ডলকে বাবা বানিয়ে ভুয়ো উত্তরাধিকার সার্টিফিকেট পেয়ে পৈতিক সম্পত্তির লেনদেন করে।
তার পরেই নড়েচড়ে বসে রানিগঞ্জ পঞ্চায়েত প্রধান সান্তনা সিংহ। পরে প্রধান উভয়পক্ষে নিয়ে সালিসি সভার জন্য ডাক দিলেও অভিযুক্ত মায়া ও রেখা উপস্থিত হয়নি। আগামী বুধবার ফের সভার ডাক দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে উত্তরাধিকার সার্টিফিকেট পেতে আবেদনকারী প্রথমে গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যর কাছে নথিপত্র দিলে পঞ্চায়েত সদস্য তার পেডে সুপারিশ করে এবং পরে প্রধান সার্টিফিকেট প্রদান করেন। এক্ষেত্রে পঞ্চায়েত সদস্য কিভাবে সুপারিশ করলেন তা প্রশ্ন উঠছে।
তবে পঞ্চায়েত সদস্যের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি এই বিষয় কিছু বলতে চাননি। অন্যদিকে রানিগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সান্তনা সিংহ জানান আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছিল তা থেকে আমরা জানতে পারি আমরা যে উত্তরাধিকার সার্টিফিকেট প্রদান করেছি সেটা নাকি জাল। তাই আমরা তদন্ত শুরু করি। ওই সার্টিফিকেট পাওয়া আবেদনকারী দুই মহিলাকে আমরা নোটিস করি।
বৈঠকে তারা উপস্থিত না থাকায় পরবর্তী কালে ফের আলোচনা ডাক দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে পঞ্চায়েত সদস্যর সুপারিশ নিয়েই এই সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছিল। যদিও পঞ্চায়েত সদস্য কাছে কি নথি রয়েছে তা তিনি দেখবেন বলে জানিয়েছেন।
