খড়িবাড়ি : খড়িবাড়ির খল্টাবাজার সংলগ্ন এলাকায় খড়িবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের তত্ত্বাবধানে ৩লক্ষ ২৭হাজার ব্যয়ে প্রায় দুমাস আগে তৈরি হয়েছিলো জল নিকাসিনালা তাও এলাকার মানুষজনের চলাচল রাস্তার মাঝ বরাবর কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ ঠিকাদার সংস্থা কাজের কোন বোড লাগায়নি এবং বিনা পরিকল্পনায় কাজ অধরা রেখেই চলে গিয়েছে যার ফলে ওই নিকাশি নালার মধ্যে বৃষ্টির জল জমে রয়েছে নাই কোনো জল নিকাশি রাস্তা।
নালার জল ঠিকমতো নিষ্কাশিত না হওয়ায় মশা,মাসি বিভিন্ন কিটানু ও জলবাহিত রোগের প্রকোপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। ইতিমধ্যেই গ্রামের বহু শিশু বিভিন্ন রোগ সহ বিভিন্ন অসুস্থতায় আক্রান্ত হয়েছে। এবং দূষিত নালার জলের প্রকোপ পড়ছে এলাকার বিভিন্ন পানীয় জলের কূপে যার ফলে পানীয় জল ও দূষিত হচ্ছে । এই পরিস্থিতিতে গ্রামবাসীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে গ্রামে কারো কিছু হলে টোটো ঢুকারও রাস্তা নেই যার ফলে চরম হয়রানির মধ্যে পড়ছে স্থানীয়রা ।
বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি কে জানিয়েও কোনো সুরাহা মেলেনি বলে অভিযোগ।সরাসরি অভিযোগ ওই এলাকার প্রাক্তন সিপিআইএম জনপ্রতিনিধি বিট্টু জয়সোয়ালের ড্রেনের কাজটা পরিকল্পনাহীনভাবে করা হয়েছে। কোনো বোর্ড বা ডিপার্টমেন্টের নাম নেই, কে কাজটা করেছে, তাও পরিষ্কার নয়। কত টাকা খরচ হয়েছে, সেটাও কেউ জানে না। ড্রেনটার কোনো নির্দিষ্ট মুখ নেই, জল কোন দিকে যাবে, তারও কোনো দিশা নেই। কাজটা অর্ধসমাপ্ত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে, যার ফলে আশেপাশের কূপের জল দূষিত হচ্ছে এবং বাচ্চারা অসুস্থ হয়ে পড়ছে।
পঞ্চায়েতের সদস্য বা প্রধানের এই সমস্যা সমাধানে কোনো আগ্রহই নেই; তাদের একমাত্র লক্ষ্য কাটমানি। তবে খড়িবাড়ি প্রধান জানান ৬০ ফুট ড্রেনটি ঢাকনা এবং স্বাভাবিক জলপ্রবাহ নিশ্চিত করার জন্য লিচ পিটসহ নির্মাণের কথা ছিল। প্রাথমিকভাবে স্থানীয়রা সহযোগিতা করলেও পরে জায়গা নিয়ে সমস্যা তৈরি করায় ঠিকাদার কাজ ছেড়ে চলে যান। এর ফলে ড্রেনে জল জমেছে এবং সেটি বন্ধ করে দেওয়া হবে।
