অভিযুক্তকে থানায় টানা জেরার পর কথাবার্তায় অসঙ্গতি ধরা পড়লে অভিযুক্ত কুন্দনকে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার ধৃতকে শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে। জালিয়াতি চক্রের জাল বিস্তৃত হচ্ছে বলে অনুমান করছে খড়িবাড়ি থানার তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিকরা। প্রসঙ্গত, জাল শংসাপত্র মামলায় ঘটনায় নক্সালবাড়ির বাংলা সহয়তা নবজিৎ গুহ নিয়োগী, গ্ৰেফতার করে খড়িবাড়ি থানার পুলিশ ।
ধৃতকে জেরা করে নানান নথির হদিস পায় পুলিশ । এরপর ঘটনার অন্যতম অভিযুক্ত খড়িবাড়ি গ্রামীণ হাসপাতালের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর,পার্থ সাহাকে নেপাল সীমান্তের ডাঙ্গু জোত থেকে গ্ৰেফতার করা হয়। ধৃতদের পৃথকভাবে জেরার পর ধৃত কুন্দন কুমার দাসের নাম উঠে আসে। পাশাপাশি শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্ট ও সেনা গোয়েন্দা অভিযানে বাগডোগরা পুটিমারি থেকে লালন কুমার ওঝাকে গ্ৰেফতার করে।
ধৃত লালনের কাছ থেকে একাধিক জাল নথি উদ্ধার হয় । উদ্ধার নথি খড়িবাড়ি হাসপাতালে চক্রের সাথে যোগ পায় তদন্তকারী আধিকারিকরা। ঘটনায় পর থেকেই রাজনৈতিক মহলেও জোর তর্জা শুরু হয়েছে। তবে গোটা ঘটনার তদন্ত আরো নামের খোঁজ রয়েছে বলে দাবি জেলা পুলিশের ।
