এদিন ভারত-নেপাল সীমান্ত সংলগ্ন পানিট্যাঙ্কি এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। দীর্ঘদিন ধরেই তদন্তকারী সংস্থার নজরে ছিলেন জাহাঙ্গীর খান। তবে তিনি তদন্তের আওতার বাইরে থেকে গা-ঢাকা দিয়ে ছিলেন বলে জানা যায়।
গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গ এসটিএফ এবং দার্জিলিং পুলিশের যৌথ সহযোগিতায় সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়। সেই অভিযানের ফলেই পানিট্যাঙ্কির কাছে জাহাঙ্গীর খানকে আটক করতে সক্ষম হয়।
বর্তমানে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি। তদন্তকারী সংস্থার মতে, জাহাঙ্গীর খানের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত চলছিল। তাঁর গ্রেফতারির ফলে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও নতুন সূত্র হাতে আসতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।
যদিও এখনও পর্যন্ত এসটিএফের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনও সরকারি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। এই জাহাঙ্গীরদের বিরুদ্ধে দুনীতি, মাফিয়ারাজ, ভোট লুট, সন্ত্রাস সৃষ্টির অভিযোগ রয়েছে।
