সবাই অন্যদিকে চলে যাবে। কেউ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকতে চাইছেন না। আমরা এটা বারবার বলতাম। ফলাফলের আগেও বলতাম। তখন মানুষের মনে হতবিজেপি রাজনৈতিক কারণে এই ধরনের কথা বলছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে দলটা যে এই অবস্থা আমরা তখনেই বুঝেছিলাম। অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাজিরা প্রসঙ্গে বলেন আদালতের রায়ে গিয়েছেন গতকাল।
বাধ্য হয়ে গিয়েছেন। রাজার মতো থাকার অভ্যাস তৃণমূলের যুবরাজ, কোর্টের রায়ে যেতে হল। সিবিআই, সিআইডি, ইডি যে ডাকত যেতে চাইত না। পাশাপাশি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মত এমন অনেক পুরোনো নেতা আছে যার সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক ভালো নয়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নেতা হিসেবে মানতে পারেনি।
কারণ আপনি প্যারাসুট নিয়ে নামবেন, নেতারা মেনে নেবে এটা হবে না। সেই জন্য এই ঘটনা। এখন তৃণমূল কংগ্রেস ঠিক করে নিক কল্যানকে রাখবে না অভিষেককে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনদিকে যাবে সেটা তার ব্যাপার। আজ মালদায় প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেবেন সুকান্ত মজুমদার।
